পোস্টগুলি

<>রোজা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হজ্জ ফরয হওয়ার সময়কাল

ছবি
হজ্জ ফরয হওয়ার সময়কালের ব্যাপরে ওলামায়ে কেরামের মাঝে মতভেদ আছে। যেমন- 1. ইমামুল হারামাইন, ইবনুল জুযী (রহঃ) ও জমহুর ওলামার মতে, হজ্জ নবম হিজরীতে ফরয করা হয়েছে। কেননা মহান আল্লাহর বাণী - ولله علي الناس حج ا لبيث من ا سثطا ع ا ليه سبيلا এই আয়াত দ্বারা হজ্জ ফরয ঘোষনা দেয়া হয়। আর আয়াতটি নাযিল হয় নবম হিজরীতে। 2. আল্লামা রাফেয়ী ও ইবনে রাফায়া (রহ) এর মতে, হজ্জ ষষ্ঠ হিজরীতে ফরয হয়। 3. আল্লামা ওয়াকেদী রহ: বলেন হজ্জ পঞ্চম হিজরীতে ফরয করা হয়েছে। কেননা হযরত দিমাম ইবনে সালাবা রা: পঞ্চম হিজরীতে মদীনায় এসে হজ্জের কথা বলেছেন। সিদ্ধান্তঃ নবম হিজরীর শেষদিকে হজ্জ ফরয করা হয়। কেননা পবিত্র কুরআনের আয়াত-ولله علي الناس حج ا لبيث من ا سثطا ع ا ليه سبيلا  অবতীর্ণ হয় নবম হিজরীরশেষের দিকে। সে বছর রসূল সাঃ হযরত আবু বকর রাঃ কে আমিরুল হজ্জ মনোনীত করে হজ্জব্রত পালনের জন্য প্রেরণ করেন। এবং পরবর্তী দশম হিজরীতে তিনি হজ্জ আদায় করেন।

ইসলামের স্তম্ভ

কালিমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ, জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস কর, যদি তোমাদের জানা না থাকে; হজ্জের ফরজ হচ্ছে- ৩টি।  (১) ইহরাম বাঁধা অর্থাৎ মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা।  ( ২) ওকুফে আরাফা অর্থাৎ ৯ই জিলহজ্জের দ্বিপ্রহরের পর হতে অর্থাৎ সূর্য ঢলার পর হতে ১০ই জিলহজ্জ সুব্হে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত যে কোনো সময় আরাফার ময়দানে উপস্থিত থাকা। (৩) তাওয়াফে যিয়ারত অর্থাৎ ১০, ১১ ও ১২ই জিলহজ্জ তারিখের মধ্যে কা’বা শরীফ তাওয়াফ করা।  যাকাত,