পোস্টগুলি

<>ইসলামের ইতিহাস লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ ও আমাদের করণীয়

ছবি
    মিনহাজ উদ্দীন: ইসলাম সে তো পরশমানিক, তারে কে পেছেছে খুঁজি, পরশে তাহার সোনা হলো যারা, তাদেরই মোরা বুঝ।  সম্মানিত পাঠকবৃন্দ! উল্লেখিত বিষয়ে আলোকপাত করার পূর্বে আমাদের জানতে হবে জঙ্গিবাদের পরিচয় সম্পর্কে। জঙ্গিবাদের ব্যাখ্যা বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, জঙ্গি, জঙ্গিবাদ ও জঙ্গিবাদী শব্দগুলো  (Militant, Mililancy) শব্দগুলোর অনুবাদ। উর্দূ ও ফারসী ভাষায় জঙ্গ অর্থ যুদ্ধ, লড়াই ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি এ শব্দগুলো আমাদের মাঝে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে।  শাব্দিক অর্থে যোদ্ধা, সৈনিক বা যুদ্ধে ব্যবহৃত বস্তু বুঝাতে এ শব্দগুলো ব্যবহার হয়ে থাকে। বর্তমানে জঙ্গিবাদ বুঝানো হয় রাজনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে আধুনিক অস্ত্রসহ বে-আইনীভাবে নিরপরাধ অসহায় অযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ইত্যাদি অপরাধে জড়িত সম্প্রদায়কে। আর এদের মতবাদকেই বলা হয় জঙ্গিবাদ। যার পরিভাষা হলো সন্ত্রাস।  ইসলামে জঙ্গিবাদ এ বিষয়ে কথা বলতে হলে সর্বপ্রথমেই বলতে হবে ইসলাম জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসকে সমর্থন করেনা। কারণ ইসলামের মূল বক্তব্য হলো বিশ্ব মানবতার কল্যাণ সাধন ও মানব সমাজের সকল শ্...

আহলুস সুন্নাত কারা? তাদের আকিদাসমূহ

ছবি
অবতারনিকাঃ মহানবী সা: এর ইন্তিকালের পর ইসলামের ওপর অন্ধকারের ঘনঘটা নেমে এসেছিল। ঠিক এমনি মুহূর্তে উদ্ভব ঘটে ভ্রান্ত মতবাদ খারেজী, শিয়া, ও মুতাযিলা সম্প্রদায়ের। বিরাজমান এ পরিস্থিতিতে হিজরী তৃতীয় শতাব্দীতে আব্বাসীয় খলিফা মুতাওয়াক্কিলের আমলে ইমাম আবুল হাসান আল আশয়ারীর ধর্ম দর্শনের ওপর ভিত্তি করে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাত প্রতিষ্ঠা লাভ করে। আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামাত আল্লাহপ্রদত্ত ও রাসূল সাঃ প্রদর্শিত আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। নিচে বিস্তারিত আলোকপার করা হলো। আহলুস সুন্নাত এর আভিধানিক অর্থঃ  اهل   শব্দটি  একবচন, বহুবচনে   اهلون ; এর আভিধানিক অর্থ হলো-               ১।  الاقارب               ২।  العشيرة              ৩।  তথা সাথী। ৪।  অধিবাসী। ৫। অধিকারী। ৬। সদস্য। ا لسنة  এর আভিধানিক অর্থঃ                   ১।   ال...

হজ্ব কখন ফরয হয়েছেঃ

উপনস্থাপনাঃ মুসলিম উম্মাহার মাঝে ঐক্যের সেতুবন্ধন রচনায় হজ্ব একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত। হজ্ব ইসলামের পঞ্চবেনার অন্যতম একটি। এটি একটি আর্থিক ও শারীরিক ইবাদত। সামর্থবান প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে একবার হজ্জ করা ফরয। হজ্ব আরবী শব্দ। আভিধানিক অর্থ-          1.   القصد          2. الارادة          3. সংকল্প করা। পারিভাষিক অর্থঃ 1. উমদাতুল কারী প্রণেতার মতে, নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কার্যাবলির দ্বারা সম্মানের সাথে বায়তুল্লাহ যেয়ারতের ইচ্ছা করাকেই হজ্জ বলে। 2. এহইয়াউল উলুম গ্রণ্গার বলেন, আল্লাহর নৈকট্যলাভের উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কার্যাবলির মাধ্যমে সম্মানিত বায়তুল্লাহ যেয়ারতের সংকল্প করার নামই হজ্জ। হজ্জ ফযর হওয়ার সময়কালঃ হজ্জ ফরয হওয়ার সময়কালের ব্যাপারে ওলামায়ে কেরামের মাঝে মতভেদ রয়েছে। যেমন- 1.   ইমামুল হারামাইন, ইবনুল জুযী ও জমহুর ওলামার মতে, হজ্জ নবম হিজরীতে ফরয করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহর বাণী- ولله علي ا لناس حج ا ل...

ভুল বিশ্বাস ‘ পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়েতে শরিক হও’য়াঃ’

ছবি
যে ব্যক্তি জীবনে কখনও দাড়ি কাটবে না, সে ব্যক্তি পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়ে খাবে। এমন কথা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। মূলত এটা একটি ভুল বিশ্বাস। আমাদের সমাজের সাধারণ মানুষের মাঝে অনেকেই এ ভুল ধারণাটা পোষণ করে থাকে, যা একেবারেই ভিত্তিহীন। প্রথমত পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়ের কথাটাই একটা ভিত্তিহীন কথা। এরপর দাড়ি কাটা না কাটার সঙ্গে এর সম্পৃক্ততা একেবারেই কল্পনাপ্রসূত। দাড়ি রাখা ও না-কাটার প্রতি উদ্বুদ্ধ করার জন্য অনেক সহীস স্পষ্ট হাদীস রয়েছে। এ ছাড়া এটি সকল নবী আলাইহিমুস সালামের সুন্নত ছিল। একে মুসলমানের ফিতরাত বা স্বভাব বলা হয়েছে। এ-কথাগুলো বলেই দাড়ি রাখার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা উচিত। দাড়ি রাখা ওয়াজিব এবং এক মু্ষ্ঠির কম করা না-জায়েয, এ বিধান সবারই জানা।

ইতিহাস

ইসলামের ইতিহাস , দেওবন্দ ইতিহাস , কওমি মাদ্রাসার ইতিহাস , মুসলিমসেনাপতি ,